শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়ায় হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু টেকনাফে অপহৃত উদ্ধার : অস্ত্র সহ চক্রের ৩ সদস্য আটক প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করা গেলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টেকনাফের ‘ডাকাত খায়ের’ সহযোগী নারী সহ গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান’ এক শহীদ ও আহত ৪৭ জনকে সহায়তা প্রদান সেন্টমার্টিন থেকে সাগরে ফিরেছে ১৮৩টি কচ্ছপের বাচ্চা লুট করেই ৬ ট্রলার সহ ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে ‘মিয়ানমারের নৌবাহিনী’ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা নিহত

ট্রলারে ১০ মরদেহ : ‘একটি ট্রলারকে ঘীরে ৭/৮টি ট্রলারের মানুষ ডাকাত বলে মারতে দেখেছে বাঁশখালীর ফজল ও তৈয়ুব’

নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারের নাজিরারটেক উপকূলে ট্রলার থেকে ১০ মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাঁশখালীর ফজল কাদের মাঝি ও আবু তৈয়ুব মাঝি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধি প্রদান করেছেন। তিন দিনের রিমান্ড শেষে রবিবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে কক্সবাজার সদরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্রীজ্ঞান তঞ্চজ্ঞার আদালতে হাজির করা হলে ২ জন এই জবানবন্ধি প্রদান করেন।

বাঁশখালীর কুদুকখালী এলাকার মৃত সিরাজুল হকের ছেলে ফজল কাদের মাঝি (৩০) ও শামসুল আলমের ছেলে আবু তৈয়ব মাঝি (৩২) কে মরদেহ উদ্ধারের মামলায় আটক করে র‌্যাব ২৫ এপ্রিল পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন। এর পর আদালতে নির্দেশে গত ২৭ এপ্রিল ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়।

৩ দিনের রিমান্ড শেষে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা কক্সবাজার সদর থানার পরিদর্শক দূর্জয় বিশ্বাস ২ জনকে আদালতে হাজির করেন। তিনি জানিয়েছেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রাপ্ত তথ্য আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধি দিতে রাজি হয়েছেন ২ জন। এর প্রেক্ষিতে ২ জন কক্সবাজার সদরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্রীজ্ঞান তঞ্চজ্ঞার কাছে জবানবন্ধি প্রদান করেছেন। ১৬৪ ধারায় কি জবানবন্ধি দিয়েছেন তিনি জানেন না। এটা আদালতের বিচারক জানবেন।

তিনি জানান, রিমান্ড এই ২ আসামি স্বীকার করেছেন ৯ এপ্রিল সাগরে একটির ট্রলারকে (সামশু মাঝির) ঘীরে ৭/৮ টি ট্রলারের লোকজন ডাকাত-ডাকাত বলে মারতে দেখেছেন। যারা মারধর করতে ছিলেন তারা সকলেই মহেশখালী মানুষ। এরা বাঁশখালীর বাসিন্দা। ফলে এ ২ জন ঘটনাস্থল থেকে বাঁশখালী চলে গিয়েছিলেন।

এদিকে এ মামলায় গত ২৫ এপ্রিল চকরিয়া উপজেলার বদরখালী এলাকা থেকে গিয়াস উদ্দিন মুনির (৩২) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। মুনির বদরখালী এলাকায় মো. নুর নবীর ছেলে।

রবিবার দুপরে কক্সবাজার সদরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্রীজ্ঞান তঞ্চজ্ঞা এ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। মুনিরকে যে কোন সময় রিমান্ডের জন্য পুলিশ নিয়ে যাবে বলে জানান মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা র্দূজয়।

তিনি জানান, আদালতের আদেশে মামলার এজাহারভূক্ত ১ নম্বর আসামি মাতারবাড়ির এলাকার ট্রলার মালিক বাইট্টা কামাল ও ৪ নম্বর আসামি ট্রলার মাঝি করিম সিকদারের ৫ দিনের রিমান্ড রবিবার শেষ হচ্ছে। সোমবার যে কোন সময় ওই ২ জনকেও আদালতে প্রেরণ করা হবে। এই ২ আসামির কাছে কি তথ্য পাওয়া গেছে এটা জানাতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন তিনি।

রবিবার (২৩ এপ্রিল) গুরা মিয়া নামের এক ব্যক্তির মালিকানাধিন একটি ট্রলার সাগরে ভাসমান থাকা ট্রলারটি নাজিরারটেক উপক‚লে নিয়ে আসে। আর ওই ট্রলারের হিমঘরে হাত-পা বাঁধা ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ইতিমধ্যে উদ্ধার হওয়া ৬ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করলেও মর্গে রয়ে গেছে ৪ জনের মরদেহ ও কংকালটি। ডিএনএ পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে এ ৫ জনের পরিচয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888